দ্য স্পার্ক: ২০১৫
তিন বন্ধু, একটি স্বপ্ন এবং অজানাকে জয় করার নেশা...
আগস্ট ২০১৫। সীতাকুণ্ডের খৈয়াছড়া ঝর্ণার গহীন ট্রেইল থেকে ট্রেকিং শেষে ক্যাম্পাসে ফিরছে একদল তরুণ। সারাদিনের ক্লান্তি ছাপিয়ে মেকানিক্যাল ১৩ ব্যাচের ক্লাস রিপ্রেজেন্টেটিভ আব্দুল্লাহ আল নোমানের মাথায় তখন অন্য এক ভাবনা— ক্যাম্পাসের এই বিপুল তারুণ্যকে এক সুতোয় গাঁথার জন্য একটা ট্রাভেল কমিউনিটি বড্ড প্রয়োজন!
আইডিয়াটা সে শেয়ার করে তার সহপাঠী ওসমান গনির সাথে। নাপিত্তাছড়া ট্রেইল জয় করে আসা ওসমান তখন খৈয়াছড়া ট্যুরের মাস্টারমাইন্ড। সেসময় অনলাইনে বা অফলাইনে চুয়েটে ট্রাভেলিংয়ের কোনো অ্যাক্টিভ প্ল্যাটফর্ম ছিল না। নোমানের আইডিয়া আর ওসমানের এক্সিকিউশনে ফেসবুকে জন্ম নিল "চুয়েট টুরিস্ট সোসাইটি"।
কিন্তু প্রথম এক মাস সোসাইটির কার্যক্রম যেন ঠিক গতি পাচ্ছিল না। ঠিক তখনই দৃশ্যপটে এন্ট্রি হয় সিভিল ১৩ ব্যাচের তানভীর হক তুহিনের। বান্দরবানের দুর্গম পাহাড় চষে বেড়ানো তুহিন এসে ধরিয়ে দিল আসল স্পার্ক। সে বলল,
"চুয়েট জীবনের এই বিপুল তারুণ্যে সাধারণ ঘোরাঘুরি তো আর মানায় না! এই বয়সের জন্য চাই পিওর অ্যাডভেঞ্চার!"
তুহিনের সেই ভিশন থেকেই বদলে গেল নাম, জন্ম নিল আজকের "চুয়েট অ্যাডভেঞ্চার সোসাইটি"। তিন বন্ধুর সেই ছোট্ট আড্ডা থেকে শুরু হওয়া স্পার্ক আজ হাজারো এক্সপ্লোরারের বুকে জ্বলছে!
দ্য পাইওনিয়ার্স

আব্দুল্লাহ আল নোমান
The Visionary (ME '13)
২০১৫ সালে তৎকালীন তোলা ছবি
"ক্যাম্পাসের এই বিপুল তারুণ্যকে এক সুতোয় গাঁথার জন্য একটা ট্রাভেল কমিউনিটি বড্ড প্রয়োজন!"

ওসমান গনি
The Mastermind (ME '13)
২০১৫ সালে তৎকালীন তোলা ছবি
খৈয়াছড়া ট্যুরের আর্কিটেক্ট, যার হাত ধরে ফেসবুকে প্রথম ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়।

তানভীর হক তুহিন
The Catalyst (CE '13)
২০১৫ সালে তৎকালীন তোলা ছবি
"এই বয়সের জন্য চাই পিওর অ্যাডভেঞ্চার!" - এই একটি লাইনই বদলে দিয়েছিল ক্লাবের ডিএনএ।